মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদ পেতে ধরা খেলেন নীলফামারীর সুন্দরী গোলাপী। এসময় গ্রেফতার করা হয় গোলাপীর দুই সঙ্গীকেও।
জানা গেছে, সুন্দরী শাহনাজ পারভীন ওরফে গোলাপী খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের কাচিনিয়া দেউলগাঁ গ্রামের স্কুলশিক্ষক মিন্টু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি মোবাইল ফোনে একই উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের জুগিরঘোপা গ্রামের সাধন কুমারের পুত্র সুজন রায়কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করেন। অপহরণের পর ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
জানা গেছে, সুন্দরী শাহনাজ পারভীন ওরফে গোলাপী খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের কাচিনিয়া দেউলগাঁ গ্রামের স্কুলশিক্ষক মিন্টু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি মোবাইল ফোনে একই উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের জুগিরঘোপা গ্রামের সাধন কুমারের পুত্র সুজন রায়কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করেন। অপহরণের পর ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
এরপর পরিবারের সদস্য সুজনের মোবাইলে ৪০
হাজার টাকা বিকাশ করা হয়। এ বিষয়ে কৌশলে সৈয়দপুর থানাকে অবহিত করে। পুলিশ মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সৈয়দপুর শহরের
নতুন বাবুপাড়ার একটি দ্বিতল বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে অপহৃত সুজনকে উদ্ধার করে।
এসময় গোলাপী ও প্রতারক চক্রের দুই সঙ্গী আজিজার রহমান ভুট্টু (৪২) ও রশিদুল ইসলামকে (৪২) আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় সুজন কুমার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছে।
সুন্দরী গোলাপীর মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদ পেতে আরো অনেকের সর্বনাশ করেছে বলে জানিয়েছে এলাকার লোকজন
এসময় গোলাপী ও প্রতারক চক্রের দুই সঙ্গী আজিজার রহমান ভুট্টু (৪২) ও রশিদুল ইসলামকে (৪২) আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় সুজন কুমার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছে।
সুন্দরী গোলাপীর মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদ পেতে আরো অনেকের সর্বনাশ করেছে বলে জানিয়েছে এলাকার লোকজন
সংগৃহীত : bd24live